প্রোডাক্ট
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যা যা করে তার সবটাই, এক সিস্টেমে
নিচের তালিকাটি আজ যা আছে তাই। এর কোনোটিই পরিকল্পনায়, তৈরির পথে বা "শিগগিরই আসছে" নয় — আজ বিকেলে সাইন ইন করলে যা পাবেন কেবল সেটাই এই পাতায় লেখার মতো। এর কোনগুলো আপনি আসলে দেখবেন তা নির্ভর করে আপনি কী ধরনের প্রতিষ্ঠান তার ওপর; আপনার নিজের পাতায় ঠিক কোনগুলো তা লেখা আছে।
শিক্ষার্থী ও কর্মী
ছবি, অভিভাবক, নিজের বানানো ঘর আর এক্সেল থেকে তোলা শিক্ষার্থী। সত্যিকারের ভূমিকাসহ শিক্ষক আর ম্যানেজার। কাউকে কখনো মোছা হয় না — আর্কাইভ করা হয়, আর তার ইতিহাস পড়া যায়।
গ্রুপ ও রুটিন
ব্যাচ, শ্রেণির শাখা, কোর্সের ব্যাচ বা জামাত — মডেল একটাই, শব্দটা আপনার। এক বিষয়ের বা বহু বিষয়ের, সাপ্তাহিক রুটিন যেটি নিজেই ক্লাস বানিয়ে নেয়, ছুটি, রুটিন বদল, বাড়তি ক্লাস, আর দুটো জিনিস একই শিক্ষককে চাইলে সেটা ধরিয়ে দেওয়া।
হাজিরা
প্রতি ক্লাসে, কয়েক সেকেন্ডে — পুরো গ্রুপের জন্য একসঙ্গে বা বিষয় ধরে ধরে। পরে গিয়ে হাজিরা দেওয়া যায় আর কারণ জানতে চাওয়া হয়, কারণ এমনটা হয় না ভান করলেই রেকর্ডের ওপর বিশ্বাস চলে যায়।
ফি
মাসিক বা একবারের, কারণসহ শিক্ষার্থীভিত্তিক বদল, ছাড়, মওকুফ, অগ্রিম, আংশিক টাকা আর বিলম্ব ফি। একটি ফি এক অঙ্কের হতে পারে, নাম দেওয়া কয়েকটি অংশেরও হতে পারে। রসিদ ছাপা বা পাঠানো যায়। সংশোধন মানে নতুন এন্ট্রি; আসলটায় হাত পড়ে না।
হিসাব ও বেতন
খরচ, শিক্ষকের সম্মানী, বেতনের কাঠামো আর বেতন-রসিদ — সবই দুই-তরফা জেনারেল লেজারে ওঠে, সঙ্গে ট্রায়াল ব্যালান্স, ব্যালান্স শিট আর মাস শেষের ক্লোজিং।
শিক্ষাবর্ষ
নাম দেওয়া একটি বছর, টার্মে ভাগ করা, রোল নম্বর, আর প্রমোশন যেটি একটি পুরো শাখাকে পরের শ্রেণিতে তোলে অথচ গত বছরকে হুবহু পড়ার মতো রেখে দেয়। যারা বছর ধরে চলে তাদের জন্য; বাকিরা এটি কখনো দেখেই না।
পরীক্ষা ও ফলাফল
গ্রুপের পাতা থেকে এক ক্লিকে সাপ্তাহিক মূল্যায়ন, নম্বরের অংশসহ পূর্ণ পরীক্ষা, গ্রেডের ছক, প্রশ্নব্যাংক, পোর্টালে দেওয়া অনলাইন পরীক্ষা আর স্বয়ংক্রিয় খাতা দেখা।
রিপোর্ট কার্ড ও সনদ
প্রতি টার্মে প্রতিটি শিক্ষার্থীর একটি একত্র করা শিট, পরিবারের কাছে প্রকাশ করা। ছাড়পত্র, চারিত্রিক ও অধ্যয়নের সনদ — প্রতিটি আপনার নিজের রেজিস্টারের নম্বরসহ, রেকর্ড থেকে ইস্যু করা, আবার হাতে টাইপ করা নয়।
নোটিশ ও অভিভাবকের খবর
সবাইকে, একটি গ্রুপকে বা একজনকে নোটিশ — প্রোডাক্টে, ইমেইলে, আর এক ট্যাপে হোয়াটসঅ্যাপে। নির্দিষ্ট সময়ে যাওয়া অভিভাবকভিত্তিক সারসংক্ষেপ হাজিরা, সামনের পরীক্ষা আর বকেয়া মিলিয়ে একটি বার্তা বানায়, যেটি যাওয়ার আগে আপনি দেখে নেন।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবক পোর্টাল
শুধু পড়ার: রুটিন, হাজিরা, রসিদসহ ফি-র হিসাব, নিজের অবস্থানসহ ফলাফল, নোটিশ, বাড়ির কাজ আর দেওয়া রিসোর্স। কেউ কোনোদিন না খুললেও আপনার প্রতিষ্ঠান হুবহু একইভাবে চলবে।
লাইব্রেরি
তাকের ওপর প্রতিষ্ঠানের কী আছে, কার কাছে আছে, আর কোনটা ফেরত আসেনি। দেরির জরিমানা আর সব ফি-র মতোই, একই খাতায়।
নিজের একটি ওয়েবসাইট
নিজের ডোমেইনে নিজের পাতা, সঙ্গে ভর্তির জিজ্ঞাসার ফর্ম যেটি সরাসরি আপনার ভর্তির তালিকায় ওঠে, আর ফলাফল দেখার এমন একটি পাতা যেটি অভিভাবক ফোনেই খুলতে পারেন।
রিপোর্ট ও বিশ্লেষণ
ফি আদায়, হাজিরার ধারা, গ্রুপের লাভ-ক্ষতি, শিক্ষকের কাজ, শিক্ষার্থী ধরে রাখা, আর যাদের হাজিরা বলছে তারা ছেড়ে দিতে চলেছে তাদের তালিকা।
কে কী দেখবে
হিসাবরক্ষক টাকা দেখেন। শিক্ষক দেখেন তাঁর নিজের গ্রুপ।
একজন শিক্ষক ঢুকে শুধু তাঁকে দেওয়া গ্রুপগুলো দেখেন, আর টাকার কোনো তথ্যই দেখেন না — ফি-র অবস্থা নয়, বকেয়া নয়, মোট অঙ্কও নয়। মেনু লুকানো আছে বলে নয়; কারণ ডেটাবেস তাঁকে কিছু ফেরত দেয় না।
কে কী পারবে তা ঠিক হয় ডেটাবেসে, এপিআইয়ের নিচে। এক শিক্ষক আরেক শিক্ষকের ঠিকানা আন্দাজ করলে ফাঁকা পাতা পান — অন্য প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা আন্দাজ করলেও তাই।
| মালিক | ম্যানেজার | শিক্ষক | |
|---|---|---|---|
| ফি ও হিসাব | সব | সব | কিছু না |
| শিক্ষার্থী | সব | সব | নিজেরটা |
| হাজিরা | সব | সব | নিজেরটা |
| সেটিংস ও বিলিং | সব | কিছু না | কিছু না |
ফ্রিতে শুরু করুন। আজই হাজিরা নিন।
প্রতিষ্ঠান রেজিস্টার করুন, একটা গ্রুপ আর কয়েকজন শিক্ষার্থী যোগ করুন, আর প্রথম ক্লাসের হাজিরা নিন। পেইড প্ল্যানে যা আছে তা যখন দরকার হবে তখন আপগ্রেড করবেন, তার আগে নয়।